গোলাপগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মামলায় আসামী হলেন মান্না

[১] [২] [৩]

[৪]

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি : [৫]গোলাপগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বৈষম্য ছাত্র আন্দোলনের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি এবং চাঁদা বাজির অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মান্না আহমদ।
রবিবার রাতে উপজেলার পশ্চিম ধারাবহর এলাকায় নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের সাথে লিখিত বক্তব্যে ইছরাব আলীর ছেলে একলিম উদ্দিন এবং সেলু মিয়ার পুত্র খছরু এবং ভাতিজা জুনেদ আহমদ বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উত্থাপন করেন তিনি। এ সময় তিনি মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি এবং নিরাপত্তা চান প্রশাসনের কাছে।
লিখিত বক্তব্যে মান্না আহমদ বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বৈষম্য ছাত্র আন্দোলনের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি এবং চাঁদা চাচ্ছেন একলিম উদ্দিন গংরা। ২০২০ সালে তাহার ভাই ভাতিজা সহ ১০/১৫জন লোক নিয়ে আমার দোকান এবং বাড়িতে হামলা চালায়। পরে এ নিয়ে আমি আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। এ মামলা আদালতে রায় পর্যায়ে চলে আসলে একলিম উদ্দিন গংরা আপোষ মিমাংশার জন্য এলাকার মুরব্বিয়ানদের নিয়ে আমার বাড়ীতে এসে নিজের দোষ স্বীকার করে। ভবিষ্যতে আমার সাথে আর কোনরূপ খারাপ আচরণ করবে না বলে এলাকার মুরব্বিয়ানদের উপস্থিতিতে একটি মুচলেকা দিলে উভয় সম্মতিতে পরে আদালত থেকে মামলাটি আপোষে তোলা হয় ।
তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, পূর্ব বিরোধে জের ধরে একলিম উদ্দিন ও জুনেদ আহমদ প্রতিশোধ নিয়ে আমাকে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মামলায় জড়িয়ে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় তাহারা ২টি মামলা করে। একটি মামলায় জুনেদ আহমদ প্রথমে এক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। টাকা বেশি দাবি করায় আমি মান্না আহমদ অপারগতা প্রকাশ করি। পরে এক পর্যায়ে ২০ হাজার চাঁদা দাবী করে। চাঁদা দিলে আমার উপর থেকে মামলা প্রত্যাহার করা হবে। তাই আমি গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় একটি চাঁদা দাবী সংক্রান্ত ১টি অভিযোগ করি। ৯ নভেম্বর বিকাল ৪টায় পুলিশ তদন্তে আসার পরে একলিমের ভাই সেলু, তাহার ছেলে খছরু এবং জুনেদ আহমদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে যাত্রী ছাউনি সংলগ্ন স্থানে পুলিশের সম্মুখে আমাকে মারধর করতে চায় । এ সময় পুলিশ আমাকে নিরাপদে রেখে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বৈষম্য ছাত্র আন্দোলনের সময় আমি প্রথমে ঢাকাদক্ষিণ বাজারে পরে আমার বাড়িতে এসে আন্দোলনরত ছাত্র ও সাধারন লোকদের পানি, বিস্কুট ও কেক খাবার দেই। যার ভিডিও ফুটেজ ও বিভিন্ন প্রমাণাদি আপনাদেরকে দিয়েছি। অথচ একলিম গংরা আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও চাঁদা দাবি করছে। শুধু তাই নয় আমার বাড়ীঘর এ আগুন দিবে এবং আমাকে প্রাণে মারতে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এজন্য চাঁদাবাজি ও মিথ্যা মামলার হয়রানি থেকে বাঁচতে প্রশাসনের হস্থক্ষেপ চান মান্না।
এ বিষয়ে মামলার বিবাদী একলিম, খছরু বলেন মান্না আহমদ ৪ আগষ্ট বৈষম্য ছাত্র আন্দোলনের সময় সে আওয়ামীলীগের সাথে মিলে ছাত্রদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিল। অপরদিকে জুনেদ আহমদ বলেন, আমাকে দিয়ে অন্যলোক মামলা করিয়েছে। অনেকের নাম আমার জানা নেই। তবে আমি কাউকে চাঁদা দাবি করি নাই।
এ বিষয়ে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোল্ল্যা বলেন, ভিডিও ফুটেজ ও বিভিন্ন তথ্যাদি যাচাই করে প্রকৃত আসামিকে ধরা হবে। চাঁদাবাজির বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 (জিবি সময়/রুপমআহমেদ// )

খবর পেতে জিবি সময় লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন [৬]

জিবি সময় ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন [৭]

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন [৫]

[১] [২] [৩]