৪৭ থেকে আজ পর্যন্ত জামায়াত দ্বারা কেউ কষ্ট পেলে বিনা শর্তে ক্ষমা চাই

[১] [২] [৩]

[৪]

সিদ্দিকুর রহমান সুমন : [৫]দেশ ভাগের পর থেকে এখন পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর দ্বারা কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তার জন্য বিনা শর্তে ক্ষমা চেয়েছেন দলটির আমীর ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, এটা গোটা জাতি হলেও চাই, ব্যক্তি হলেও চাই। এতে কোনো অসুবিধা নেই। একাত্তরে আমি তখন সাড়ে ১২ বছরের শিশু। আমি মুক্তিযুদ্ধ করিনি। কিন্তু আমার সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের ব্লাডের সম্পর্ক আছে। আমার সেকেন্ড কাজিন তিনি তখন ইপিআরের একজন অফিসার ছিলেন। উই রিভোল্ট বলে চট্টগ্রামে আমাদের যখন সেনা অফিসাররা পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে রিভোল্ট করেছিলেন, তখন ওখানে প্যারা মিলিটারি হিসেবে ইপিআরও তাদের সঙ্গে ছিল। তৃতীয় দিন ওপেন ফাইটে তিনি মারা যান। কাজেই আমি কিন্তু ওটা ইনহেরিট করি। আমার ব্যক্তি অবস্থান আর দলের অবস্থান ভিন্ন হতে পারে। তখন আমার রাজনীতি করার কোনো বয়সও হয়নি। কিন্তু স্রোতের পালে আমিও কোনো না কোনো সংগঠনের হাতে লেখা একটা পোস্টারের কর্মী। সেই সংগঠনটা কিন্তু কোনো ইসলামী সংগঠন না। ভিন্ন প্ল্যাটফরম। এই আধো আধো বুঝ নিয়ে যা দেখেছি, তাতে অবশ্যই তখন বাংলাদেশের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এটা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। স্থানীয় সময় গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের একটি হোটেলে কোয়ালিশন অব বাংলাদেশি আমেরিকান এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ ক্ষমা চান।

পাকিস্তানের শাসনামলের কথা তুলে ধরে জামায়াত আমীর বলেন, পাকিস্তান ২৩ বছর শাসন করেছে। মূলত সামরিক শাসকরা এবং মুসলিম লীগ এই দুটো মিলে। ’৭০-এর নির্বাচন ছিল ২৩ বছরের মাথায় পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন। এর আগে আর সাধারণ নির্বাচন হয়নি। তখন বেসিক ডেমোক্রেসির আন্ডারে যারা মেম্বার-চেয়ারম্যান ছিলেন, তাদের ভোটেই কিন্তু প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতেন। এমপিরা নির্বাচিত হতেন, এমএনএ নির্বাচিত হতেন। সেখানে দুটো ছিল প্রভিনশিয়াল অ্যাসেম্বলি ও ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি। ফলে এটাই ছিল সরাসরি তার শাসক নির্বাচনের জন্য জাতি রাষ্ট্র হিসেবে প্রত্যেকটা ম্যাচিউরড নাগরিক হিসেবে প্রথম ভোট দেয়ার সুযোগ। সেই বছর ভোটের এই দৌড়ে পশ্চিম পাকিস্তানের ভুট্টো সাহেব ৭২টি আসন পেয়েছিলেন। অন্যান্য আসনগুলো বিভিন্ন দলের মধ্যে ভাগ হয়েছিল। আর পূর্ব পাকিস্তানের ১৬২ আসনের মধ্যে ২টি ছাড়া সবগুলো উইন করেছিল আওয়ামী লীগ। ১৬০টি আসন। ফলে ৩০০ আসনের যে জাতীয় পরিষদ সেখানে যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে গেল আওয়ামী লীগ। আমরা ইতিহাস দেখি জামায়াতই প্রথম দল পূর্ব পাকিস্তানে মিছিল বের করে বলেছে, নির্বাচিত দলের হাতে ক্ষমতা দিন। এটা মার্চের ১ তারিখ। যখন অনিশ্চিত হয়ে পড়লো, যখন ডাকা সংসদ অধিবেশন স্থগিত হয়ে গেল। আশঙ্কা যখন দেখা দিলো। পরবর্তী পর্যায়ে বিষয় অন্যদিকে গড়ালো। শেখ মুজিবুর রহমান সাহেব ২৫শে মার্চ রাতে অ্যারেস্ট হলেন। সিনিয়র লিডাররা সরে গেলেন। যে যেদিকে পারেন আশ্রয় নিয়েছেন এবং ২৬ ও ২৭ তারিখের দিকে পরস্পর দুইটি ডিকলারেশন এলো। স্বাধীনতার ঘোষণা এলো। প্রথম এক ধরনের। পরে আবার একটু রিভিউ করে আরেক ধরনের। এরপরেই মুক্তিযুদ্ধ আস্তে আস্তে অর্গানাইজড হয়। নয় মাস এই যুদ্ধ চলে। এই যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে উভয় পক্ষের প্রচুর মানুষ হতাহত হয়েছেন। যুদ্ধ শেষে ১০ই জানুয়ারি শেখ মুজিব যখন করাচির কারাগার থেকে মুক্তি পান। তারপর তিনি হিথ্রোতে যান। সেখান হয়ে বাংলাদেশে আসেন। শেখ মুজিব দেশে আসার পর ক্ষমতা হাতে নেন এবং পৌনে ৪ বছরের মতো সময় পান দেশ পরিচালনায়। সেই সময় দু’টি আইন হয়েছিল। একটি যুদ্ধাপরাধ আইন, আরেকটি কোলাবরেটর আইন। এই দুই আইনে ২৪ হাজার লোকের বিরুদ্ধে মামলা হয়। আর যুদ্ধাপরাধ হিসেবে ১৯৫ জনকে ফাইনাল করেন শেখ মুজিব সাহেব নিজের হাতে। যার মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের কোনো নাগরিক ছিলেন না। সবাই ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের লোক এবং সামরিক বাহিনীর লোক। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের এই যে, ৩৪ হাজার লোক যারা ছিলেন, তারা সবাই কোলাবরেটর আইনে প্রসিকিউটেড হন।

আপনারা দেখেছেন আমাদের কিছু সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ট্রাই করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক আদালতের নামে একটি আদালতে। তাদের কারও নামে শেখ মুজিবুর রহমান সাহেব জীবিত থাকা অবস্থায় (তখন ৪২২ থানা ছিল পূর্ব পাকিস্তানে) একটি থানায়ও মামলা তো দূরের কথা, একটি জিডিও ছিল না। যখন ঘটনা তাজা, সাক্ষী জীবিত, আলামত একেবারে স্পষ্ট, তখন কিছু ছিল না। হ্যাঁ আমরা ধরে নিলাম দু’ চারজন থাকলে ভুলে…। পরবর্তী যেকোনো সময়ে তাদের নামে মামলা হতে পারতো। শেষ পর্যন্ত শেখ মুজিব সাহেব জেনারেল অ্যামনেস্টি ঘোষণা করলেন। ৪টা সুস্পষ্ট অপরাধ ছাড়া বাকি যাদের এখানে প্রসিকিউট করা হয়েছে। তাদের সবাইকে ফ্রি করে দেয়া হলো। সবুর খান সাহেব, মালেক সাহেব, নুরুল আমিন সাহেব সবাই কিন্তু এই সুযোগে বেনিফিট পেলেন। সবাই জেলে ছিলেন। বাকি সবাইকে তিনি ক্ষমা করে দিলেন। ৪টা অপরাধ কী, যারা মানুষ খুন করেছেন, ধর্ষণ করেছেন, লুণ্ঠন করেছেন, অগ্নিসংযোগ করেছেন। স্পেসিক অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে তাদের জেনারেল অ্যামনেস্টির মধ্যে আনা হয়নি। সাধারণ ক্ষমার আওতায় তারা আসেনি। এখানেও কিন্তু জামায়াতের লোক নেই। তিনি বলেন, ওটা পুরনো, আপনারা রিসেন্টলি দেখেছেন। অনেকে বলবেন পুরনো কাহিনী আমরা জানি না, এগুলো শুনেও লাভ নেই।

রিসেন্টটা দেখেন, শেখ হাসিনা সরকারের আমলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক একটা মন্ত্রণালয় আছে, তার ইনকামবেন্ট মিনিস্টার ছিলেন আ.খ.ম মোজাম্মেল হক। তার নেতৃত্বে দশ হাজার রাজাকারের একটা তালিকা তৈরি হয়েছে। সেই তালিকায় আট হাজারের ঊর্ধ্বে লোক বিলংস টু আওয়ামী লীগ। ১ হাজারের অল্প আরেকটা দল। ৩৭ জন মানুষের নাম এসেছে, তারা জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে রিলেটেড। ওখানে প্রত্যেকের দলীয় পরিচয় লেখা ছিল। কে কোন দলে আছে। কিন্তু আনফরচুনেটলি আমার ভাই যে প্রশ্ন করেছেন জামায়াতে বিষয়টা যখনই আসে, তখনই একাত্তরের ওই বিষয়টি চলে আসে। তাহলে একাত্তরে জামায়াতের কি কোনো ভূমিকা ছিল না? অবশ্যই ছিল। জামায়াত তখন ফিল করেছিল যে, পাকিস্তান ইউনাইডেট থাকা দরকার। তখনো কিন্তু আওয়ামী লীগের বহু লিডার পাকিস্তান সরকারের আন্ডারে চাকরি করেছেন। বেতন নিয়েছেন, এমনকি আওয়ামী লীগের লিডার পরিবারের অনেকে বেতন নিয়েছেন। তৎকালীন সরকারের বেতন নিয়েছেন। বেনিফিট নিয়েছেন। আমাদের কোনো আপত্তি নেই। বিপদের সময় এটা সরকারের দায়িত্ব, নাগরিকদের দেখার দায়িত্ব, সেটা দেখেছে। সে কোন দলের এটা আমাদের দেখার দায়িত্ব না। জামায়াত আমীর বলেন, ১৪ই ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রায় ৯০ ভাগ এলাকায় পাকিস্তানের পতাকা উড়েছে। অফিস- আদালতে পাকিস্তানের নামে সবাই চাকরি করেছে। ১৫ তারিখ থেকে এই সিনারিও পুরোপুরি চেঞ্জ হয়ে গেছে। পরবর্তী দুইদিনে ওই পতাকাও নেমে গেছে। চাকরিও বন্ধ হয়ে গেছে। এর আগ পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তানে যারাই কাজ করেছেন, তারাই পাকিস্তানকে মেনে নিয়ে কাজ করেছেন। এখন এটা বলেতে পারেন জন প্রত্যাশা ছিল পাকিস্তানি শাসকরা চলে যাক। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যাক। জামায়াতে ইসলামী এটাকে সম্মান করলো না কেন? এটা একটা লেজিটিমেট প্রশ্ন। করলে ভালো হতো। করা উচিত ছিল। এই ব্যাপারে আমার কোনো দ্বিমত নেই। কিন্তু এই জবাবের উপযুক্ত ব্যক্তি আমি না। কারণ আমাদের যে সমস্ত নেতৃবৃন্দ তখন যারা ছিলেন। কোন প্রেক্ষাপটে তারা কোন ডিসিশান নিতে বাধ্য হয়েছেন সেটা তারাই ভালো বলতে পারবেন। তাদের জীবদ্দশায় এই সমস্ত প্রশ্নের বহুবার উত্তর তারা দিয়েছেন। এখন জাতির কিছু কিছু লোক বলতো যে ধরে নিলাম আপনার স্পেসিফিক কোনো ক্রাইম করেন নাই, তারপরও আপনাদের এই পলিটিক্যাল ডিসিশানটা জাতি মেনে নেয়নি। আপনারা তো একটা এ্যাপোলজি দিলেই পারেন। এই এ্যাপোলজি মিনিমাম আমরা তিনবার দিয়েছি। প্রফেসর গোলাম আজম সাহেব দিয়েছেন। মরহুম মাওলানা মতিউর রহমান সাহেব দিয়েছেন। এবং আই মাইসেলফ, আমি দিয়েছি- এই কিছুদিন আগে। এটিএম আজহারুল ইসলাম সাহেব যখন ফ্রি হলেন জেল থেকে তখন আমি বলেছি শুধু একাত্তর নয় ’৪৭ সাল থেকে শুরু করে জামায়াতে ইসলামীর দ্বারা কেউ যদি কোনো কষ্ট পান, কারও যদি ক্ষতি হয়ে থাকে আমি সব ব্যক্তি এবং সংগঠনের পক্ষে নিঃশর্ত আপনাদের কাছে ক্ষমা চাই। আপনারা আমাদের ক্ষমা করে দেবেন। আজকের দিন পর্যন্ত।

তিনি বলেন, আজকের দিন পর্যন্ত আমরা ভুল করিনি এ কথা বলবো কীভাবে? আমরা মানুষ। আমাদের সংগঠন একটা মানুষের সংগঠন। আমাদের একশ’টার মধ্যে ৯৯ ডিসিশান সঠিক। একটা বেঠিক হতে পারে। সেই বেঠিক একটা ডিসিশানের জন্য আমার জাতির কোনো ক্ষতি হতে পারে, তাহলে সেই ক্ষেত্রে আমার কোনো ডিসিশানে জাতির ক্ষতি হলে আমার মাফ চাইতে অসুবিধাটা কী। এখন মাফ চাওয়ার পরে বলে যে, এই ল্যাঙ্গুয়েজে চাইলে হবে না, ওই ল্যাংগুয়েজে চাইতে হবে। আরে বাবা এ আরেক … পড়লাম। বিনাশর্তে মাফ চাইলাম। কোনো শর্তও দিলাম না। তারপর আর বাকি থাকলো কোন্টা এইটা তো আর বুঝি না। বিনাশর্তে আবারো ক্ষমা চেয়ে জামায়াত আমীর বলেন, আজকে আবার একদম প্রকাশ্যে বলে গেলাম। ’৪৭ থেকে শুরু করে ২০২৫ সালের ২২শে অক্টোবর এখানকার (আমেরিকার) টাইম ৮টা ১১ মিনিট পর্যন্ত আমাদের দ্বারা যে যেখানে যত কষ্ট পেয়েছেন, আমরা বিনাশর্তে তাদের কাছে মাফ চাই। এটা গোটা জাতি হলেও চাই। ব্যক্তি হলেও চাই। কোনো অসুবিধা নাই। আমি এই কথা জীবনেও বলিনি, আমার কোনো সহকর্মী বলেননি, আমাদের সিনিয়র যারা ছিলেন তারা বলেননি যে, আমরা সকল ভুলের ঊর্ধ্বে। কোন দল যদি দাবি করে সকল ভুলের ঊর্ধ্বে অবশ্যই জাতি এটা মানবে না। আমাদেরটা মানবে কেন? আমাদের ওরকম যত ভুল হয়েছে জানা ও অজানা এই ভুলগুলো যারা শুধরে দিয়েছেন আমরা তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে জামায়াত আমীর বলেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন না হলে সন্দেহ ও সংকট দুটোই দেখা দেবে। তাই জামায়াত নির্বাচনের পক্ষে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোটের আয়োজন প্রসঙ্গে তিনি জানান, একই দিনে দু’টি নির্বাচন হলে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হবে। অতীতে ৩টা গণভোট হয়েছে, সর্বোচ্চ ২৬ দিনের এবং সর্বনিম্ন ১৮ দিনের নোটিশে। জামায়াতের পক্ষ থেকে নভেম্বরের মধ্যে গণভোট আয়োজনের দাবি জানানো হয়েছে। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের বিষয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ২৭টি উন্নত দেশসহ বিশ্বের ৯১টি দেশে পিআর পদ্ধতি চালু রয়েছে। ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় এটা গুরুত্বপূর্ণ। জাতির কল্যাণে দাবি দেয়া হয়েছে। দাবিগুলো যৌক্তিক প্রমাণিত হওয়ার পরও যদি মেনে না নেয়া হয় তাহলে জামায়াত নির্বাচনে যাবে কিনা- তা চিন্তা করবে।

পিআর পদ্ধতি বিষয়ে বিএনপি’র মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, যিনি পিআর বুঝেন না তিনি এর ভালো-মন্দ বলতে পারেন না। আগে জানতে হবে তারপর মন্তব্য করতে হবে। প্রতিবেশী হিসেবে ভারতকে রেসপেক্ট করতে চান মন্তব্য করে তিনি জানান ঠিক তেমনি বাংলাদেশও সেই রেসপেক্ট আশা করে। চুক্তি বাতিলের বিষয়ে ডা. শফিকুর রহমান জানান, শুধু ভারত নয়, বিশ্বের অনেক দেশের সঙ্গেই চুক্তি হয়েছে। যে চুক্তিগুলো যৌক্তিক, যা জাতির জন‍্য কল‍্যাণ হবে সেগুলোর প্রতি সমর্থন থাকবে। কিন্তু যে চুক্তি দেশ ও জাতির জন‍্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে তাহলে ঐ দেশের সঙ্গে চিঠি আদান- প্রদান এবং দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে। কোনো সংলাপ কিংবা আলোচনা ছাড়াই যদি চুক্তি বাতিল করা হয় তাহলে অন‍্যপক্ষ যেকোনো আদালতেও যেতে পারে। শুধু তাই নয়, সরকার বদল হলে চুক্তি বদল হয় এই আশঙ্কায় বিদেশি বিনিয়োগের উপরও এর প্রভাব পড়বে। এনসিপি নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে জামায়াতের আমীর বলেন, তারা আমাদের ছোট ভাই-বোন। আন্দোলনে তাদের ভূমিকা রয়েছে। অভিমান করে কিছু বললে কঠোর হওয়া উচিত হবে না। অভিজ্ঞতা এবং বয়সের কারণে তাদেরকে সুযোগ দেয়া উচিত। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে আফগানিস্তান-পাকিস্তান কিংবা লেবানন নয়, বাংলাদেশ বাংলাদেশই থাকবে। যেখানে থাকবে না দল-ধর্মের ভিত্তিতে বিভক্তি। বৈষম্য থাকবে না, প্রত্যেক নাগরিক পাবে সমান অধিকার।

 (জনতারদেশ/রুপমআহমেদ// )

খবর পেতে দৈনিক জনতার দেশ লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন [৬]

ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন [৭]

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন [৫]

[১] [২] [৩]