কলকাতার বাংলাদেশ মিশনের সামনে বিক্ষোভ

[১] [২] [৩]

[৪]

দৈনিক জনতার দেশ ডেস্ক : [৫]আবারও উত্তাল হলো কলকাতার বাংলাদেশ মিশন সংলগ্ন অঞ্চল। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ মিশন সংলগ্ন অঞ্চল ঘেরাও করে ‘বাংলা পক্ষ’ নামে একটি সংগঠন। যদিও ২০০ মিটার দূর থেকেই পুলিশ তাদের প্রতিরোধ করে। যার কারণে বাংলা পক্ষের তরফে হামলাকরীরা বাংলাদেশ মিশনের আশপাশে ঘেঁষতে পারেনি।

তবে তাদের এক ঘণ্টার অবস্থানের কারণে পুলিশের সঙ্গে চলে সাময়িক ধস্তাধস্তি।
এদিন বিকেলে মিশন এলাকায় বাংলাদেশ ইস্যু নিয়ে বিক্ষোভ দেখায় বাংলা পক্ষ। তাদের দাবি, এখনই বাংলাদেশের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা উচিত ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের। এমনকি বাংলাদেশে ভারতের সেনাবাহিনী পাঠানো উচিত বলে দাবি তোলেন বিক্ষোভকারীরা।

পাশাপাশি বাংলা পক্ষ হুমকি স্বরে বলেছে, বাংলাদেশে দ্বিতীয়বার ভারতীয় হাইকমিশনে আঘাত হলে কলকাতার বাংলাদেশ মিশন আস্ত থাকবে না।
এদিন বাংলা পক্ষের সভাপতি গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, এখনই বাংলাদেশের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অভিযান দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে ভারতীয় দূতাবাসে পুনরায় হামলা হলে কলকাতাতেও বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে হামলা করা হবে।

দলের সম্পাদক কৌশিক মাইতি বলেন, দীপু দাস জ্বলছে। আর তা ভিডিও হচ্ছে। এই মোবাইলগুলো যে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ হয়, তা আদানি গ্রুপ কর্তৃক সরবরাহ বিদ্যুৎ। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করার দাবি ওঠে বিক্ষোভ অবস্থান থেকে। পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে ছিটমহল বিনিময়ে ভারতের ছেড়ে দেওয়া ১০ হাজার ১৬০ একর জমি ফেরত নেওয়ার জন্য ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দাবি জানানো হয়।

যদিও গতকাল থেকে কলকাতা পুলিশের কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে কলকাতাস্থ বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন। আগামী কয়েকদিন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে মিশন চত্বরে। নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে যান চলাচলে।

মিশন সংলগ্ন সড়কে একমাত্র মিশন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর যানবাহন ছাড়া সাধারণদের যানবাহনে নিষেধজ্ঞা জারি করেছে কলকাতা পুলিশ।

মিশনের বাইরে তিন শিফটে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা পুলিশি পাহারা বাড়ানো হয়েছে। প্রতি শিফটে থাকছে ৩৫ জন করে সশস্ত্র পুলিশ। আছে কুইক রেসপন্স টিম। নিরাপত্তায় রাখা হয়েছে নারী পুলিশদের।

গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশের একাধিক ইস্যুতে উত্তাল হয়েছে কলকাতা। মিশনমুখী হওয়ার ঔদ্ধত্য দেখিয়েছে একাধিক সংগঠন।

শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) ‘সেভেন সিস্টার্স’ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার হুমকির বিরুদ্ধে আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ করে একটি যুব সংগঠন। ‘তিপরা মোথা’র যুব সংগঠন ‘ইউথ তিপরা ফেডারেশন’ এর ওই বিক্ষোভের কারণে সহকারী হাইকমিশনারের দফতরে নিরাপত্তা বাড়ায় ত্রিপুরা পুলিশ। বিক্ষোভকারী সংগঠনটি কয়েকশ’ সদস্য নিয়ে আগরতলা হাইকমিশনের দিকে যাত্রা শুরু করে। কিন্তু ২০০ মিটার আগেই ব্যারিকেড দেয় পুলিশ। সেখানেই বিক্ষোভ শুরু করেন তিপ্রামোথার যুব নেতানেত্রীরা।

তারপর থেকেই নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে কলকাতার বাংলাদেশ মিশনে। আগামী আরও কয়েকদিন কলকাতার বাংলাদেশ মিশন সংলগ্ন অঞ্চল উত্তাল হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 (জনতারদেশ/রুপমআহমেদ// )

খবর পেতে দৈনিক জনতার দেশ লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন [৬]

ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন [৭]

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন [৫]

[১] [২] [৩]