গোলাপগঞ্জে যুবলীগ নেতার দোকানে চাঁদাবাজির জেরে ভাঙচুর, নাকি অন্য কিছু

[১] [২] [৩]

[৪]

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি : [৫]সিলেটের গোলাপগঞ্জে দোকান ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির ঘটনায় সোস্যাল মিডিয়া সহ দেশ ব্যাপী তোলপার সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে ইসমাঈল আহমদ উজ্জল ৯৯৯ এর অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ। পাশাপাশি স্থানীয় বিএনপিও গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি-৮১৭,তাং-২১-২-২৬ইং)। এ নিয়ে জনমনে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। সোস্যাল এক্টিভিট পিনাকি ভট্রাচার্য ও ইলিয়াস হোসেন সহ বিভিন্ন গনমাধ্যমের পেইজে ঘটনাটি তুলে ধরা হয়েছে। ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ট আসন নিয়ে সরকার গঠন করার পরই সিলেটের গোলাপগঞ্জের এ ঘটনায় দেশব্যাপী সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, প্রবাস ফেরত ইসমাইল হোসেন আওয়ামী যুবলীগের একজন কর্মী ছিল। গত আওয়ামী সরকারের সময় প্রয়াত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ স্যাটাশ দিত তাহার ব্যক্তিগত ফেইসবুক আইডিতে। এ নিয়ে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ করলে নানান হয়রানির স্বীকার হতেন। শুধু বিএনপি নয় বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ স্যাটাশ দিত। পাশাপশি সে একজন মাদকসেবী হওয়ার কারনে তার বিরুদ্ধে ভয়ে কেহ কিছু বলতে পারত না। ৫ আগষ্ট পর বিএনপিতে যোগ দিতে চাইলে মাদকাসক্ত হওয়ার কারনে স্থানীয় বিএনপি গ্রহণ করেনি তাকে। ১২ই ফেব্রুয়ারী জাতীয় নির্বাচনের সপ্তাহ খানেক আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করে। এরপর থেকে আরোও বেপরোয়া হয়ে উঠে সে। তারপর বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমানকে নিয়ে কূরুচিপূর্ণ কথা ও সিলেট-৬ আসনের এমপি প্রার্থী এমরান আহমদ চৌধুরীকে নিয়েও তার ব্যক্তিগত ফেইসবুক আইডিতে পোষ্ট করে। নির্বাচনে সুনামপুর ভোট কেন্দ্রে জয় লাভ করেন ধানেরশীষের প্রার্থী এড. এমরান চৌধুরী। এ কারনে সুনামপুর বাজারের একদিকে উৎসুক জনতার বিজয় মিছিল, অন্যদিকে ইসমাঈল আহমদ উজ্জলের নেতৃত্বে হাঁ বিজয়ের খুশিতে আরেকটি মিছিল বাহির হয়। এক পর্যায় ওয়ার্ড বিএনপি নেতা শামীম আহমদকে মারধর করে ইসমাঈল আহমদ উজ্জল। ২০ ফ্রেব্রুয়ারী বিষয়টি জানতে স্থানীয় ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা ইসমাঈল আহমদ উজ্জলের দোকানে যায়। এসময় ইসমাঈল আহমদ উজ্জলের সাথে তাদের বাকবিতন্ডার ঘটনা ঘটে। এসময় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী ও এলাকার মুরুব্বিয়ানদের হস্থক্ষেপে বিষয়টি নিরোসন করা হয়।

এ বিষয়ে সুনাম বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, চাঁদাবাজির কোন ঘটনা বাজারে ঘটেনি।  বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে ইসমাঈল আহমদ উজ্জলের  বাকবিতন্ডা ও ঠেলা ধাক্কার একটি ঘটনা ঘটেছে।

এ বিষয়ে জানতে ইসমাঈল আহমদ উজ্জলকে বার বার ফোন দিলে তার ব্যবহ্নত মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নজির আহমদ বলেন, গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার আসনে জামায়াত প্রার্থী সেলিম আহমদ হেরে যাওয়ায় ফ্যাসিষ্ট যুবলীগ নেতাকে দিয়ে চাঁদাবাজি ঘটনা সাজিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার পাঁয়তারা করেছে জামায়াতে ইসলাম। ৫ আগষ্টের পর থেকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের দুষ্কৃতিকারীরা জামায়াতে ছায়াতলে আশ্রয় নিয়ে গোলাপগঞ্জে অবাধে ঘোরাফেরা ও ফেইসবুকে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে। তাছাড়া কয়েক মাস আগে মাদকসহ ঢাকাদক্ষিণ বাজার থেকে পুলিশ ধরেছিল তাকে।

এ বিষয়ে গোলাপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি নোমান উদ্দিন মুরাদ চাঁদাবাজির বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন- প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে বিএনপির একটি টিম কাজ করছে।
এ বিষয়ে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম বলেন-বিষয়টি আমরা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।

 (জনতারদেশ/রুপমআহমেদ// )

খবর পেতে দৈনিক জনতার দেশ লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন [৬]

ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন [৭]

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন [৫]

[১] [২] [৩]