ঢাবিতে যেভাবে শিক্ষক নিয়োগ হওয়ার কথা ছিল সেভাবে হয়নি: প্রধানমন্ত্রী
দৈনিক জনতার দেশ ডেস্ক :ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) যেভাবে শিক্ষক নিয়োগ হওয়ার কথা ছিল সেভাবে হয়নি- জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এ নিয়োগে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বকে বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের সময়ে ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার না হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি দেশের নানাবিধ উন্নয়ন কাজ করা যেত। যতোটা সম্ভব দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে চায়।
এর আগে সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসইভাবে রূপান্তরের লক্ষ্যে একদিনব্যাপী ‘উচ্চশিক্ষা রূপান্তরে জাতীয় কর্মশালা’ উদ্বোধন করেন।
এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা স্তরে কারিকুলাম নতুন করে সাজানো সময়ের দাবি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা স্তরে কারিকুলাম নতুন করে সাজানো সময়ের দাবি। কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ইনোভেশন গ্র্যান্ট দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এছাড়া স্কুল পর্যায় থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে সরকার।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘উচ্চশিক্ষা রূপান্তরে জাতীয় কর্মশালা’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: পিএমও
তারেক রহমান বলেন, সীমিত সম্পদের কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে নতুন কিছু করা সম্ভব। মেধা পাচার রোধ করে মেধা লালন করে দেশ গড়তে চায় সরকার। এমন শিক্ষাব্যবস্থা গড়তে চাই যেন প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারেন।
উচ্চশিক্ষাকে সময়োপযোগী, প্রযুক্তিনির্ভর ও দক্ষতাভিত্তিক করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু পুঁথিগত শিক্ষাই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণা এবং উদ্ভাবনের দিকে মনোযোগ না দিলে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমাদের টিকে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়বে। আমাদের সামর্থ্য সীমাহীন না হলেও সীমিত সম্পদের কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে অবশ্যই আমাদের পক্ষেও নতুন কিছু করা সম্ভব।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদেরও প্রচুর মেধাবী মানুষ রয়েছেন যারা সুযোগ বা সুবিধা পেলে তাদের পক্ষেও বিশ্বমানের কিছু করা অসম্ভব নয়।
তার ভাষায়, মেধা পাচার রোধ করে মেধার বিকাশ ও মেধার লালন করে আমরা ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে চাই। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার একটি জ্ঞান ও মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র এবং সমাজ গড়তে চায়। জ্ঞান ও মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি হলো এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা যেখানে শিক্ষা, গবেষণা, মেধা, যোগ্যতা এবং সৃজনশীলতা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।
(জনতারদেশ/রুপম–আহমেদ/প/ম )
খবর পেতে দৈনিক জনতার দেশ লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন






