সিলেটে চকবাজার ইসলামিয়া হাফিজিয়া আলিম মাদ্রাসা এডহক কমিটি বাতিলের দাবী
নিজ্স্ব প্রতিনেদক:সিলেটের ওসমানীনগর চকবাজার ইসলামিয়া হাফিজিয়া আলিম মাদ্রাসা এডহক কমিটি বাতিলের দাবী জানিয়েছে এলাকাবাসী। গত ০২-০৬-২৫ইং তারিখে সিলেট জেলা প্রশাসকের কাছে এ দাবী জানিয়ে আবেদন করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ১৬ বৎসর চকবাজার ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ,সহকারী সুপার, প্রাক্তন সভাপতি আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট সরকারের দোষর আব্দুল হামিদ সহ অত্র মাদ্রাসার এবতেদায়ী পর্যায়ের ২ জন শিক্ষকের প্রত্যাক্ষ মদদে এ এলাকায় মাষ্টার্স পাস ব্যক্তিগন থাকা তাদেরকে এডহক কমিটির তাদের নাম তালিকায় স্থান পায়নি।
তারা আরোও অভিযোগ করেন, আওয়ামী সরকারের দোষর স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ ওসমানী মেডিকেল কলেজ শাখার সক্রীয় কর্মী ও স্থানীয় উসমানপুর ইউনিয়ন নিবার্চনে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাজমুলের বড় ভাই পলাতক চেয়ারম্যান অলি উল্লাহ বদরুলের একনিষ্ট কর্মীর নাম এডহক কমিটির লিস্টে ১নং নাম্বারভূক্ত করে পাঠানো হয়। যার কারনে ডাক্তার মিজানুর রহমান ফরহাদকে এডহক কমিটির সভাপতি মনোনিত করা হয়েছে।
শুধু তাই নয়, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবু সালেহ আল মাহমুদ, সহকারী সুপার সাদিকুর রহমান শিবলুদের দুর্নীতি যাতে প্রকাশ না হয় এবং সাবেক সভাপতি একাধিক মামলার পলাতক আসামী ওসমানীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদের দুর্নীতি প্রকাশ না করার স্বার্থে এবং অত্র মাদ্রাসায় এবতেদায়ী শাখার প্রভাবশালী শিক্ষক আব্দুল হাই গংদের প্রত্যক্ষ মদদে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অবগত না করে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী ছাত্রলীগের সক্রীয় কর্মী ফ্যাসিষ্ট সরকারের অন্যতম সহযোগী ডাক্তার মিজানুর রহমান ফরহাদকে এডহক কমিটির সভাপতি করিতে ৩ জনের তালিকায় সর্বকনিষ্ট হওয়া স্বত্ত্বেও তাকে ১ নাম্বারে দেওয়া হয়। যার দরুন বোর্ড কর্তৃপক্ষ ডাক্তার মিজানুর রহমান ফরহাদকে সভাপতি মনোনিত করে। বর্তমানে এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনাকর ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
তারা লিখিত অভিযোগে আরোও দাবী করেন, চকবাজার ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার উন্নয়ন ও এলাকার থমথমে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে ডাক্তার মিজানুর রহমান ফরহাদকে সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতির আহবান জানান। এবং ডাক্তার মিজানুর রহমান ফরহাদের স্থলে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের পক্ষের অন্য কাউকে সভাপতি হিসাবে মনোনিত করার জোর দাবী জানান।





