গোলাপগঞ্জে চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় এক বৃদ্ধ ও যুবককে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ
গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি :গোলাপগঞ্জে চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় এক বৃদ্ধ ও যুবককে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গিয়াছে। আহতদের গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার(৭ আগষ্ট) উপজেলার শরীফগঞ্জ ইউনিয়নের কদুপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৭ আগষ্ট)শরীফগঞ্জ ইউনিয়নের কদুপুর গ্রামের মৃত আব্দুল কাদের ছেলে মজির উদ্দিন(৩৮) ৪ জনকে অভিযুক্ত করে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন মৃত ফয়জুন মিয়ার ছেলে আয়াছ মিয়া (৪২), আতিকুর মিয়া (৫০), আতিকুর রহমানের ছেলে শাহরিয়া আলম (২২) ও মৃত আব্দুল সহিদের ছেলে মুজিবুর রহমান (৫০)।
গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় দায়ের করা অভিযোগ থেকে জানা যায়, শরীফগঞ্জ ইউপি কদুপুর এলাকার বর্ষকাল থাকায় রাস্তায় কাঁদা জমে থাকে। বাদী মজির উদ্দিন ও স্বাক্ষীরা এলাকাবাসীর কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে রাস্তা মেরামত জন্য উদ্যোগ গ্রহন করেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে রহুল আমিন, মৃত আকরম আলীর ছেলে মতিউল ইসলাম সেফুল, মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে একরামুল আমিন রিজু, আরিফুল মিয়ার ছেলে তাহের মিয়া, মৃত আকরম আলীর ছেলে আরিফুল ইসলাম, আয়াছ মিয়ার ছেলে নাঈম মিয়াসহ এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে রাস্তায় ইটের রাবিস ফেলার সময় বিবাদী আয়াছ মিয়া গংরা আসিয়া রাস্তার কাজে বাঁধা নিষেধ প্রদান করে। বিবাদী আয়াছ মিয়া গংদের ২০,০০০ টাকা না দিলে রাস্তায় কোন ধরনের কাজ করতে দিবে না। এসময় বাদী মজির উদ্দিন গং এলাকাবাসীরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে ক্ষিপ্ত আয়াছ মিয়া গংরা বাদী মজির উদ্দিন, রহুল আমিন, মতিউল ইসলাম সেফুল, একরামুল আমিন রিজু, তাহের মিয়া, আরিফুল ইসলাম ও নাঈম মিয়াকে বিবাদীদের হাতে থাকা জিআইপাইব, দেশীয় অস্ত্র রড, হকিস্টিক ও দা দিয়ে আক্রমণ করে বাদি ও স্বাক্ষীগনকে রক্তাক্ত জখম সহ মারাত্বকভাকে আহত করে।
তিনি অভিযোগে আরোওে উল্লেখ্য করেন, বাদী মজির উদ্দিন থানায় কোন মামলা করলে বিবাদী আয়াছ মিয়া তাকে প্রাণে মারার হুমকি প্রদান করেন। শুধু তাই নয় বাদী ও স্বাক্ষীগন ২০,০০০ টাকা না দিয়ে রাস্তায় কোন কাজ করতে কেউ আসিলে তাহাদের প্রাণে হত্যা করবেন। এতে বাদী ও স্বাক্ষীগন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগিতেছেন। বর্তমানে রাস্তার কাজ বন্ধ রহিয়াছে।
আরোও উল্লেখ্য করেন,আহত রহুল আমিনের চিৎকারে এলাকাবাসী তাদেরকে উদ্ধার করে গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা করান।
এ বিষয়ে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোল্ল্যা বলেন, চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি অভিযোগপত্র পেয়েছি। এ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে শ্রীঘ্রই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
(জনতারদেশ/রুপম–আহমেদ/প/ম )
খবর পেতে দৈনিক জনতার দেশ লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন






